ইবিতে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের নেতৃবৃন্দকে ইউট্যাবের সংবর্ধনা

ওয়াসিফ আল আবরার , ইবি সংবাদদাতা

প্রকাশিত: ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ০৩:২৪ পিএম

ইবিতে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের নেতৃবৃন্দকে ইউট্যাবের সংবর্ধনা

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে সদ্য নিযুক্ত বিভিন্ন সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, উপ-উপাচার্য ও কোষাধ্যক্ষদের সম্মানে সংবর্ধনা ও সম্মাননা প্রদান করেছে ইউনিভার্সিটি টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ইউট্যাব), ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা। শনিবার সকাল সাড়ে ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মীর মশাররফ হোসেন একাডেমিক ভবনের ২০৪ নম্বর কক্ষে এ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

ইউট্যাব ইবি শাখার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অধ্যাপক মোহাম্মদ সেলিমের সভাপতিত্বে ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. রশিদুজ্জামানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান, ইসলামী আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আবু জাফর খান, মেহেরপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহা. তোজাম্মেল হোসেন, সুনামগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. জাকির হুসাইন, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মমতাজ হোসেন এবং কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. ইদ্রিস আলী।

সুনামগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. জাকির হুসাইন বলেন, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় আমার প্রাণের প্রতিষ্ঠান। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আমি যুক্ত ছিলাম। এখানকার যোগ্য শিক্ষকদের বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় দায়িত্বে মূল্যায়ন করা হয়েছে, যা আমাদের জন্য গর্বের। আচার্য আমাদের যে দায়িত্ব দিয়েছেন, তা যেন যথাযথভাবে পালন করতে পারি সেজন্য সবার দোয়া কামনা করছি।

ইসলামী আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আবু জাফর খান বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহাসিক গুরুত্ব রয়েছে। দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে তারেক রহমানের নেতৃত্বের কথা উল্লেখ করে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মান ও অগ্রগতি বজায় রাখতে জাতীয়তাবাদী আদর্শে বিশ্বাসী সবাইকে উদার মানসিকতা নিয়ে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান।

মেহেরপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহা. তোজাম্মেল হোসেন ইউট্যাবের ইতিহাস তুলে ধরে বলেন, ২০১২ সালে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ইউট্যাবের অনুমোদন দেন। ২০১৮ সালে বর্তমান কমিটি অনুমোদিত হওয়ার পর সংগঠনটি পুনরায় সক্রিয় হয়। তিনি আরও বলেন, নতুন বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে মেহেরপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কার্যক্রম ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন শুরু থেকে করতে হচ্ছে। এই দায়িত্ব পালনে তিনি সবার সহযোগিতা ও দোয়া প্রার্থনা করেন।

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান বলেন, সরকার গঠনের পর বিভিন্ন দায়িত্ব বণ্টনের ক্ষেত্রে এবার ইউট্যাবের মহাসচিবের উদ্যোগে ত্যাগী শিক্ষকদের মূল্যায়নের চেষ্টা করা হয়েছে। তবে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়সহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠানে আরও অনেক যোগ্য ও অভিজ্ঞ শিক্ষক রয়েছেন। তিনি বলেন, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের দশের অধিক শিক্ষক ও প্রাক্তন শিক্ষার্থী বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পেয়েছেন, যা অত্যন্ত গর্বের বিষয়।

ইবি উপাচার্য আরও বলেন, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কার্যক্রমকে আরও স্বচ্ছ ও নিয়মতান্ত্রিক করার লক্ষ্যে আমরা কাজ করছি। সম্মিলিত প্রচেষ্টায় বিশ্ববিদ্যালয়কে সামনের দিকে এগিয়ে নেওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

সিয়াম সরিষা
Link copied!