মো. আখতার হোসেন, মালয়েশিয়ার পারলিস থেকে: দীর্ঘ চার বছর পর আবারও দেখা। স্থান মালয়েশিয়ার পারলিসের কাঙ্গার শহর। পুরোনো পরিচিত মালয়েশিয়ান দাতু খিজানিফ বিন খিজাফের নিজস্ব আরবিয়ান রেস্টুরেন্ট ‘ইয়া মারহাবা’য় অনুষ্ঠিত হলো সৌহার্দ্যপূর্ণ এক মিটিং ও মধ্যাহ্নভোজ।
রোববার মালয়েশিয়ান সময় দুপুর ২টায় দৈনিক প্রতিদিনের কাগজের বিশেষ প্রতিনিধি মো. আখতার হোসেনকে নিজ রেস্টুরেন্টে আমন্ত্রণ জানান দাতু খিজানিফ। আন্তরিক আপ্যায়ন, পুরোনো স্মৃতিচারণ ও বাংলাদেশ নিয়ে কথোপকথনে প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে পুরো আয়োজন। দাতু খিজানিফের আতিথেয়তায় মুগ্ধ মো. আখতার হোসেন বলেন, “একজন মালয়েশিয়ানের কাছ থেকে এমন আন্তরিকতা ও ভালোবাসা সত্যিই ভুলে যাওয়ার মতো নয়।”
বাংলাদেশের সঙ্গে দাতু খিজানিফের সম্পর্কও বেশ গভীর। তিনি একাধিকবার বাংলাদেশ সফর করেছেন। গাজীপুর সিটি করপোরেশনের ৪১ নম্বর ওয়ার্ডের পূবাইল বাজার বেপারি পাড়া জামে মসজিদে তিনি দুটি বড় এসি উপহার দিয়েছিলেন।
সাক্ষাতে সেই এসিগুলোর বর্তমান অবস্থা জানতে চান তিনি। মসজিদে এসিগুলো ভালো সার্ভিস দিচ্ছে শুনে অত্যন্ত খুশি হন দাতু খিজানিফ। আবার বাংলাদেশে যাবেন কি না জানতে চাইলে তিনি জানান, সুযোগ পেলে আবারও বাংলাদেশে যাবেন।
দাতু খিজানিফ বর্তমানে অবসর জীবনযাপন করছেন। এর আগে তিনি পারলিসের কাঙ্গার পার্লামেন্ট মেম্বার আইআর শাহরুদ্দিনের বিশেষ কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ‘ইয়া মারহাবা’য় আরবিয়ান স্বাদের মুগ্ধতা কাঙ্গার শহরের ‘ইয়া মারহাবা’ রেস্টুরেন্টে পাওয়া যায় ইয়েমেনি ফুডসহ বিভিন্ন ধরনের অথেনটিক আরবিয়ান খাবার। রেস্টুরেন্টটিতে বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠান, পার্টি ও নানা আয়োজন নিয়মিত অনুষ্ঠিত হয়।
এর আগে দাতু খিজানিফসহ চার সদস্যের একটি দল বাংলাদেশ সফর করলে তাদের সফরের অনুভূতি নিয়ে দৈনিক যুগান্তরে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছিল। সেই বাংলাদেশ সফরের স্মৃতি এখনও তার মনে অমলিন।
চার বছর পরের এই সাক্ষাৎ যেন সেই বন্ধুত্বেরই নতুন অধ্যায়। একজন মালয়েশিয়ান নাগরিকের বাংলাদেশের প্রতি ভালোবাসা, আন্তরিকতা ও অতিথিপরায়ণতায় মুগ্ধ মো. আখতার হোসেনের কাছে ‘ইয়া মারহাবা’র এই আয়োজন হয়ে থাকল স্মরণীয় এক মুহূর্ত।পারলিসের কাঙ্গার শহরে যারা ভ্রমণে আসবেন, তাদের ‘ইয়া মারহাবা’য় আসার আমন্ত্রণও জানিয়েছেন দাতু খিজানিফ।

আপনার মতামত লিখুন :