আশরাফুল ইসলাম, স্টাফ রিপোর্টার : ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের লক্ষ্যে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবদলের উদ্যোগে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন কেন্দ্রীয় যুবদলের সভাপতি মোনায়েম মুন্না। প্রধান বক্তা ছিলেন কেন্দ্রীয় যুবদলের সাধারণ সম্পাদক ও সংসদ সদস্য নুরুল ইসলাম নয়ন। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন কেন্দ্রীয় যুবদলের সিনিয়র সহসভাপতি রেজাউল করিম পল এবং সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বিল্লাল হোসেন তারেক। বিশেষ বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন কেন্দ্রীয় যুবদলের ১ নম্বর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মো. কামরুজ্জামান।
সভায় সভাপতিত্ব করেন কেন্দ্রীয় যুবদলের সহসভাপতি ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবদলের আহ্বায়ক খন্দকার এনামুল হক এনাম। সঞ্চালনা করেন কেন্দ্রীয় যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবদলের সদস্যসচিব রবিউল ইসলাম নয়ন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মোনায়েম মুন্না বলেন, ৭ নভেম্বর বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ একটি দিন। ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বরের অভ্যুত্থান ও পাল্টা অভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বন্দি হন। পরবর্তীতে ৭ নভেম্বর সিপাহি-জনতার ঐতিহাসিক বিপ্লব ও সংহতির মধ্য দিয়ে তিনি মুক্তি লাভ করেন। বিএনপি দিনটিকে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব, গণতন্ত্র ও জাতীয় ঐক্যের প্রতীক হিসেবে বিবেচনা করে। তিনি যুবদলসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী এবং দেশবাসীকে দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের আহ্বান জানান।
প্রধান বক্তা নুরুল ইসলাম নয়ন এমপি বলেন, ৭ নভেম্বর সিপাহি-জনতার ঐতিহাসিক বিপ্লবের মধ্য দিয়ে সেনাবাহিনীর সদস্যরা বন্দিদশা থেকে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে মুক্ত করেন।বিশেষ বক্তা অ্যাডভোকেট মো. কামরুজ্জামান বলেন, ৭ নভেম্বর বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি তাৎপর্যপূর্ণ দিন। সিপাহি-জনতার বিপ্লবের মধ্য দিয়ে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মুক্তির ঘটনা দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হয়ে রয়েছে।
সভায় বক্তারা আগামী ৭ নভেম্বর নয়াপল্টনে আয়োজিত র্যালি সফল করতে যুবদলের সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে অংশগ্রহণের আহ্বান জানান। র্যালিতে নেতৃত্ব দেওয়ার কথা রয়েছে বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের।

আপনার মতামত লিখুন :