যানজটের আড়ালে ঘুষের কারবার, দুদকের অনুসন্ধান শুরু

নিউজ ডেস্ক , প্রতিদিনের কাগজ

প্রকাশিত: ০৫ নভেম্বর, ২০২৬, ০৯:০১ এএম

যানজটের আড়ালে ঘুষের কারবার, দুদকের অনুসন্ধান শুরু

ফাইল ফটো

বিল্লাল হোসেন মানিক, ময়মনসিংহ: ময়মনসিংহ নগরের যানজট যেন এখন নিত্যদিনের দুর্ভোগে পরিণত হয়েছে। নগরীর প্রধান সড়ক থেকে শুরু করে গুরুত্বপূর্ণ মোড়, বাজার, হাসপাতাল এলাকা ও বাণিজ্যিক কেন্দ্র কোথাও মিলছে না স্বস্তি। অবৈধ সিএনজি অটোরিকশার অবাধ চলাচল, ব্যাটারিচালিত যানবাহনের সংখ্যা বৃদ্ধি, অপরিকল্পিত নগরায়ণ, পর্যাপ্ত পার্কিং ব্যবস্থা না থাকা এবং ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার সীমাবদ্ধতা সব মিলিয়ে পরিস্থিতি ক্রমেই জটিল হয়ে উঠছে।

এর মধ্যে ময়মনসিংহে সিএনজি অটোরিকশার অবৈধ চলাচল ও প্রতিস্থাপনকে কেন্দ্র করে প্রায় দুই বছরে ২৫ কোটি টাকার ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) অভিযোগ জমা পড়ার পর অনুসন্ধান শুরু হয়েছে। অন্যদিকে ট্রাফিক বিভাগের দেওয়া তথ্যমতে, বিপুল পরিমাণ জরিমানা ও হাজার হাজার মামলা হলেও নগরের যানজট পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি হয়নি।

২০২৫ সাল থেকে ২০২৬ সালের অক্টোবর পর্যন্ত ময়মনসিংহের সিএনজি অটোরিকশা খাতে প্রায় ২৫ কোটি টাকার ঘুষ লেনদেন হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। বিআরটিএর কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারী, জেলা ট্রাফিক পুলিশের টিআই ও ক্যাশিয়ার, মালিক সমিতির পাঁচ নেতা এবং বিভিন্ন পর্যায়ের দালালদের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ উঠেছে। এর মধ্যে অটোরিকশায় সিএনজি প্রতিস্থাপনের ক্ষেত্রেই প্রায় ৭ কোটি টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

হাজী মোহাম্মদ আলী নামের এক শ্রমিক গত অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহে দুদকে এ অভিযোগ জমা দেন। ময়মনসিংহের সিএনজি অটোরিকশা খাত এবং জেলা ট্রাফিক পুলিশের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাসহ মোট ৩১ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে।

অভিযোগে বলা হয়েছে, ট্রাফিক পুলিশের যোগসাজশে বিভিন্ন জেলা থেকে অবৈধ সিএনজি অটোরিকশা ময়মনসিংহ নগরে প্রবেশ ও চলাচলের সুযোগ পাচ্ছে। প্রতিদিন প্রায় ১৪ হাজার সিএনজি অটোরিকশা নগরে প্রবেশ করে বলে অভিযোগকারীর দাবি।

পাটগুদাম ব্রিজ মোড়, চরপাড়া মেডিকেল গেট, ফুলবাড়িয়া বাসস্ট্যান্ড এবং মাসকান্দা-ঢাকা বাইপাস এলাকায় চাঁদা আদায়ের অভিযোগও করা হয়েছে। অভিযোগে জেলা ট্রাফিক পুলিশের পরিদর্শক (প্রশাসন) গোলাম মাওলার নাম উল্লেখ করে প্রতি মাসে প্রায় দেড় কোটি টাকা আদায়ের দাবি করা হয়েছে।

এ ছাড়া মাসকান্দা এলাকার অটো সেন্টারের মালিক দেবাশিষ দাস এবং একই এলাকার সিএনজি অটোরিকশা গ্যারেজের মালিক এনামুল হক, ডালিম, গালিব, আজিজুল, মাসুম ও সাগরের নাম অভিযোগে এসেছে। ত্রিশাল বাসস্ট্যান্ড এলাকায় তিনটি গ্যারেজের মাধ্যমে অবৈধ সিএনজি পরিচালনা এবং মাসিক মাসোহারা দিয়ে চলাচলের অভিযোগও রয়েছে। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা এখনো অনুসন্ধানাধীন। অভিযোগে যাঁদের নাম এসেছে, তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে এমনটি বলা যাচ্ছে না।

দুদকের অনুসন্ধানসংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানায়, গত ৩০ অক্টোবর দুদকের সহকারী পরিচালক মো. মেহেদী মুসা জেবিন ও মো. মাহমুদুল হাসান ভূঁইয়ার সমন্বয়ে একটি অনুসন্ধান দল গঠন করা হয়েছে। অভিযোগের বিভিন্ন দিক যাচাই-বাছাই করে প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহের কাজ চলছে।

অভিযোগের বিষয়ে ময়মনসিংহ জেলা ট্রাফিক পুলিশের পরিদর্শক (প্রশাসন) মো. গোলাম মাওলা বলেন, ‘আমি জীবনে কোনো দিন এক টাকাও ঘুষ খাইনি।’ নগরে প্রায় ১৪ হাজার সিএনজির মধ্যে ১১ হাজার অবৈধভাবে চলাচল করে এমন অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি ফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।

ময়মনসিংহ জেলা ট্রাফিক পুলিশের পরিদর্শক (প্রশাসন) গোলাম মাওলা তালুকদার ২০২৫ সালের ১২ ডিসেম্বর ময়মনসিংহে যোগদান করেন। তাঁর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, যোগদানের পর থেকে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের দায়ে মোট ২ কোটি ১৯ লাখ ৯৮ হাজার ১৫০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। 

এ সময়ে ৭ হাজার ২৪৪টি মামলা রুজু হয়েছে। এত বিপুল পরিমাণ জরিমানা ও মামলা সত্ত্বেও নগরের যানজট পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না আসায় প্রশ্ন উঠেছে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার কার্যকারিতা নিয়ে।

সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮-এর ৪৬ ধারায় নির্দিষ্ট শ্রেণির যানবাহনের চলাচল ও অনুমোদনসংক্রান্ত বিধান রয়েছে। সংশ্লিষ্টদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, পিএনজি অটোরিকশা, নসিমন ও করিমনের ক্ষেত্রে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা ও তিন মাসের কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে বলে জানানো হয়েছে। তবে মাঠপর্যায়ে এসব বিধানের যথাযথ প্রয়োগ হচ্ছে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে।

টিআই গোলাম মাওলা তালুকদারের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ময়মনসিংহ জেলা ট্রাফিক বিভাগে বর্তমানে ১৬৯ জন সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন। তাঁদের মধ্যে ১২ জন সার্জেন্ট, ১৪ জন টিএসআই এবং ১৩৩ জন কনস্টেবল রয়েছেন।

ময়মনসিংহের ১৪টি উপজেলার মধ্যে তিনটি উপজেলায় ট্রাফিক বিভাগের নিজস্ব শাখা কার্যালয় রয়েছে। বাকি ১১টি উপজেলায় সীমিত জনবল দিয়ে কার্যক্রম পরিচালনা করতে হচ্ছে। এসব উপজেলার জন্য ৩২ জন সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন। অন্যদিকে ময়মনসিংহ সদর এলাকায় রয়েছেন ১২৭ জন।

টিআই গোলাম মাওলা তালুকদারের মতে, পুরো জেলায় ট্রাফিক কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখতে অন্তত ৩৬০ জন সদস্য প্রয়োজন। প্রয়োজনের তুলনায় জনবল কম থাকায় ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় নানা সমস্যা হচ্ছে।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ট্রাফিক) আশরাফুল করিম বলেন, ময়মনসিংহ শহরের রাস্তার তুলনায় যানবাহনের চাপ প্রায় ৭৫ শতাংশ বেশি। জনসংখ্যার অনুপাতে যে পরিমাণ সড়ক থাকা প্রয়োজন, বাস্তবে তার তুলনায় সড়কের পরিমাণ অনেক কম।

তিনি বলেন, ময়মনসিংহ একটি শিক্ষা নগরী। বিভিন্ন উপজেলা থেকে শিক্ষার্থীরা পড়াশোনার জন্য শহরে আসেন। তাঁদের পরিবারের অনেক সদস্যও শহরে বসবাস করেন। ফলে প্রতিদিন শহরে মানুষের চলাচল ও যানবাহনের চাপ বাড়ছে।

শহরে পর্যাপ্ত গণপরিবহন না থাকায় ইজিবাইক ও সিএনজির ওপর মানুষের নির্ভরতা বেড়েছে। বিশেষ করে ইজিবাইকের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় নগরের সড়ক ব্যবস্থাপনায় বাড়তি চাপ তৈরি হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ময়মনসিংহ শহরে নিবন্ধিত তিন চাকার যানবাহনের সংখ্যা প্রায় ১৭ হাজার। এর মধ্যে ইজিবাইক ৫ হাজার ৯৬৮টি, মিশুক ৫ হাজার ৬০৮টি এবং অটোরিকশা ৫ হাজার ৪০০টি।

ময়মনসিংহ নগরের যানজটের অন্যতম বড় কারণ হিসেবে সামনে এসেছে অপরিকল্পিত নগরায়ণ এবং বহুতল ভবন ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে পর্যাপ্ত পার্কিং ব্যবস্থা না থাকা।

বিশেষ করে চরপাড়া, নতুন বাজার, গাঙ্গিনারপাড়, বাউন্ডারি রোড ও আশপাশের বাণিজ্যিক এলাকায় একের পর এক বহুতল ভবন, মার্কেট, হোটেল ও বিপণিবিতান গড়ে উঠেছে। কিন্তু এসব ভবনের অনেকগুলোতে পর্যাপ্ত আন্ডারগ্রাউন্ড পার্কিং, বেজমেন্ট পার্কিং কিংবা নিজস্ব গাড়ি রাখার ব্যবস্থা নেই বলে অভিযোগ রয়েছে।

ফলে এসব প্রতিষ্ঠানে কেনাকাটা, খাবার খাওয়া কিংবা বিভিন্ন কাজে আসা ব্যক্তিদের ব্যক্তিগত গাড়ি ও মোটরসাইকেল রাখার পর্যাপ্ত জায়গা পাওয়া যায় না। বাধ্য হয়ে অনেকেই সড়কের পাশে গাড়ি রাখছেন। এতে চলাচলের জন্য নির্ধারিত সড়কের একটি বড় অংশ দখল হয়ে যাচ্ছে।

বিশেষ করে হোটেল সারিন্দা, কাচ্চি ড্যানি ও কাচ্চি ভাইয়ের সামনে খাবার খেতে আসা ব্যক্তিদের গাড়ি রাখার পর্যাপ্ত জায়গা না থাকায় সড়কে যানবাহনের চাপ তৈরি হচ্ছে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ। ব্যস্ত সময়ে এসব প্রতিষ্ঠানের সামনে গাড়ি থামানো ও পার্কিংয়ের কারণে অন্য যানবাহনের স্বাভাবিক চলাচল ব্যাহত হচ্ছে।

নগরীর চরপাড়া থেকে নতুন বাজার, গাঙ্গিনারপাড়সহ গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক এলাকাগুলোতে একই ধরনের সমস্যা দেখা যাচ্ছে। শুধু অবৈধ যানবাহন নয়, ভবন নির্মাণের সময় পর্যাপ্ত পার্কিংয়ের ব্যবস্থা নিশ্চিত না করা এবং বিদ্যমান পার্কিং ব্যবস্থার যথাযথ ব্যবহার না হওয়াও যানজটের অন্যতম কারণ হয়ে উঠেছে।

নগর পরিকল্পনাবিদদের মতে, একটি বাণিজ্যিক ভবন বা মার্কেট নির্মাণের ক্ষেত্রে ভবনের আয়তন ও সম্ভাব্য দর্শনার্থীর সংখ্যা বিবেচনায় পর্যাপ্ত পার্কিং ব্যবস্থা রাখা জরুরি। অন্যথায় ব্যক্তিগত গাড়ির চাপ সরাসরি সড়কের ওপর পড়ে এবং নগরের যানজট আরও বাড়ে।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ট্রাফিক) আশরাফুল করিম বলেন, শহরের ভেতর দিয়ে রেললাইন চলে যাওয়ায় রেলগেট বন্ধ থাকলে যানবাহনকে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয়। এ কারণে রেলগেটকেন্দ্রিক যানজট তৈরি হয়। তিনি মনে করেন, রেলগেটের চাপ কমাতে বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণ এবং শহরের ভেতরে থাকা বাসস্ট্যান্ডগুলো শহরতলিতে স্থানান্তর করা গেলে যানজট নিরসনে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

এদিকে ট্রাফিক অফিসের সেবার মান নিয়েও অভিযোগ তুলেছেন সিএনজিচালক শাহীন। তাঁর অভিযোগ, সেবা নিতে গিয়ে নির্ধারিত সময়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে অফিসে পাওয়া যায়নি।

শাহীন জানান, বেলা ১১টা ৩৯ মিনিটেও ট্রাফিক পরিদর্শক গোলাম মাওলা তালুকদারকে তাঁর কার্যালয়ে পাওয়া যায়নি। এ সময় তাঁর কক্ষে তালা ঝুলতে দেখা যায় বলে অভিযোগ করেন তিনি।

অভিযোগ অনুযায়ী, চারজন কনস্টেবল শারমিন, জালাল, মনিরুল ও ইলিয়াসের মাধ্যমে অফিসের কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা যুক্ত করা প্রয়োজন।

এ বিষয়ে অ্যাডভোকেট শাহরিয়ার হাফিজ বলেন, প্রকৃত অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়ায় অনেকেই ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যাচ্ছেন। এ কারণে তিনি নতুন করে আরও একটি অভিযোগ জমা দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

তাঁর অভিযোগ, ঘুষ বাণিজ্য শুধু ছোটখাটো দালালদের মাধ্যমে পরিচালিত হয় না; এর সঙ্গে প্রভাবশালী দালাল ও সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তারাও জড়িত থাকতে পারেন।

তিনি আরও বলেন, অভিযুক্তদের পাশাপাশি তাঁদের পরিবারের সদস্যদের সম্পদের হিসাব যাচাই করা হলে অর্থের উৎস সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বেরিয়ে আসতে পারে। তাঁর দাবি, ময়মনসিংহের পাঁচজন পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ইতোমধ্যে অনুসন্ধান শুরু হয়েছে। এ ছাড়া সাবেক নয়জন পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে দুদকে মামলা হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

ময়মনসিংহ নগরের যানজট এখন আর শুধু সিএনজি কিংবা ইজিবাইকের সমস্যা নয়। এর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে অবৈধ যানবাহনের চলাচল, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার সীমাবদ্ধতা, জনবল সংকট, অপরিকল্পিত নগরায়ণ, বাণিজ্যিক ভবনে পার্কিংয়ের অভাব, রেলগেটের চাপ এবং বাসস্ট্যান্ডকেন্দ্রিক বিশৃঙ্খলা।

নগরবাসীর মতে, শুধু মামলা ও জরিমানা করে যানজট নিরসন সম্ভব নয়। অবৈধ যানবাহনের চলাচল নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি বহুতল ভবন ও মার্কেটগুলোতে অনুমোদিত পার্কিং ব্যবস্থা রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা জরুরি। যেসব ভবনে পার্কিংয়ের ব্যবস্থা নেই, সেগুলোর অনুমোদন ও ব্যবহারসংক্রান্ত বিষয়ও যাচাই করা প্রয়োজন।

একই সঙ্গে সড়ক দখল করে গাড়ি পার্কিং বন্ধ, গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের সামনে যানবাহন নিয়ন্ত্রণ, পর্যাপ্ত ট্রাফিক সদস্য নিয়োগ, বিকল্প গণপরিবহন চালু এবং বাসস্ট্যান্ড স্থানান্তরের উদ্যোগ নিতে হবে।

Link copied!